ঢাকাWednesday , 14 January 2026
  1. # লিড নিউজ
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. দেশজুড়ে
  12. ধর্ম
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. ভ্রমণ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন বছরে পূর্ণ শক্তিতে মেতেছে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ

newskst
January 14, 2026 6:19 pm
Link Copied!

নতুন বছরের শুরুতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসন চালিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বকে আতঙ্কিত করে তুলেছেন। ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে আরও কী কী খেল দেখাতে চান, এখানে ইউরোপের কী করার আছে, তা নিয়ে লিখেছেন লেসলি ভিনজামুরি 

আমাদের মধ্যে যাঁরা বিশ্বরাজনীতি ও ভূরাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের মধ্যে খুব কম লোকই ২০২৫ সালকে বিদায় জানাতে দুঃখ পেয়েছি। কিছু ইতিবাচক ঘটনা থাকলেও সামগ্রিকভাবে বছরটি ছিল অত্যন্ত বিশৃঙ্খল, অস্থির ও টালমাটাল। এসব বিশৃঙ্খলা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বিপুল অনিশ্চয়তা ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই বৈশ্বিক অস্থিরতার পেছনে একমাত্র না হলেও প্রধান চালিকা শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বেশ কয়েকটি বড় বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান থেকে সরে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও প্যারিস শান্তিচুক্তি। দেশটি ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএইড) বন্ধ করে দিয়েছে এবং জাতিসংঘের বহু সংস্থার অর্থায়ন কমিয়েছে।

এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থা পুরোপুরি অস্থির হয়ে পড়ে, আর বাণিজ্যচুক্তিগুলোকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থের সঙ্গে বেঁধে ফেলা হয়। মার্কিন প্রশাসন তাদের গুরুত্বপূর্ণ জোটগুলো পুরোপুরি পরিত্যাগ না করলেও কোনো যৌথ এজেন্ডার দিকে এগোনোর স্পষ্ট ইঙ্গিতও দেয়নি।

ট্রাম্প কোনো আইনের তোয়াক্কা করছেন না

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় এক বছর আগে তাঁর অভিষেক ভাষণে বড় বড় যুদ্ধের অবসান ঘটানো ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলেন। বাস্তবে তা অর্জন করা কঠিনই প্রমাণিত হয়েছে। পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলোর (পিআরআইও) তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রভিত্তিক সশস্ত্র সংঘাতের সংখ্যা ছিল গত সাত দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেই রেকর্ড উচ্চমাত্রা ২০২৫ সালেও বজায় থাকে। বছর শেষ হয় ইউক্রেন ও সুদানে শান্তিচুক্তি অধরাই থেকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। আর এ সময়ে গাজায় তিন ধাপের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনাও কার্যত অচল হয়ে পড়ে। বিদেশে উন্নয়ন সহায়তা নাটকীয়ভাবে কমে যায়।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) পূর্বাভাস দিয়েছিল, ২০২৫ সালে এ সহায়তা ৯ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। বিভিন্ন হিসাব বলছে, চলতি শতকে প্রথমবারের মতো শিশুমৃত্যুর হারও বেড়েছে।

২০২৬ কি ভালো হবে? লক্ষণ মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়। পিআরআইওর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সংঘাত পূর্বাভাস ব্যবস্থা বলছে, এ বছর যুদ্ধজনিত মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে ইউক্রেন, সুদান, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনে; অথচ এসব সংঘাত যুক্তরাষ্ট্র শেষ করতে চায় বলে জানিয়েছে।

সামনে প্রশ্ন একটাই—নতুন বছরে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গঠনে যুক্তরাষ্ট্র কী ভূমিকা নেবে? তারা কি স্থিতিশীলতা আনবে? শান্তির মধ্যস্থতাকারী হবে, নাকি আগের মতোই অস্থিরতা সৃষ্টিকারী ভূমিকায় থাকবে? চলতি সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট করে দিয়েছে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এই শেষের ভূমিকাতেই উপযোগিতা দেখছেন।

নতুন বছরের শুরুতেই ট্রাম্পের প্রথম দিককার পররাষ্ট্রনীতির পদক্ষেপগুলোর মধ্যে ছিল গভীর রাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা, দেশটির নেতাকে গ্রেপ্তার করা এবং তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে বিচারের জন্য নিউইয়র্কে তুলে নিয়ে যাওয়া। এরপর ট্রাম্প ও তাঁর শীর্ষ সহযোগীরা ন্যাটো সদস্য ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে চাপ প্রয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পরিণত করার হুমকি দেন।

এরপর ৭ জানুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে সরে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তসরকার প্যানেল (আইপিসিসি) এবং পার্টনারশিপ ফর আটলান্টিক কো–অপারেশন, যা আটলান্টিক মহাসাগরের তীরবর্তী দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার একটি উদ্ভাবনী বহুপক্ষীয় কাঠামো। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে থাকা শেষ অবশিষ্ট অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিটির মেয়াদ (যেটি মোতায়েন করা কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা সীমিত করে) আগামী মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখনো আলোচনা করেননি, এর জায়গায় কী আসবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।