নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও রাষ্ট্র সংস্কারে তরুণদের ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ব্যতিক্রমী ‘জেন-জি কার্নিভাল’ আয়োজন করেছে উপজেলা ছাত্রদল। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার স্থানীয় ফুটবল মাঠে এ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বির সভাপতিত্বে এবং জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম, তানভীর আল হাদী, শেখ নুর উদ্দিন আবির, জাহিন বিশ্বাস এষা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খন্দকার আতিকুর রহমান তুষার, সদস্য সচিব ছাব্বির আহমেদসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতীতের বিভিন্ন ঘটনার সমালোচনা এবং রাষ্ট্র সংস্কারে তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের মেধা, দক্ষতা ও বাস্তবসম্মত চিন্তাভাবনাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে। শুধু পরিকল্পনা নয়, তরুণদের বাস্তবমুখী পরামর্শই হবে রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলেন, “রক্তের উপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব টিকে ছিল। সুতরাং প্রকৃতি বলে ১২ তারিখের ধানের শীষ প্রত্যেক আসন থেকে বিজয়ী হতে হবে। আমরা তো লড়াই করেছি আমরা পালিয়ে যায়নি আমরা গুপ্ত থাকেনি। আমরা ছাত্রলীগের ভিতর থেকে মানুষকে নির্যাতন করিনি। আমার সংগঠনের পরিচয় দিতে আমি কখনো বিব্রত বোধ করি না।
আরও বলেন, ” ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে যারা ঐক্যটা বিনষ্ট করেছে সেই জামাত এবং শিবিরের সকল রকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে ১২ তারিখ বাংলাদেশের মানুষ লাল কার্ড দেখাবে।
এছাড়া শেখ তানভীর বারী হামিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করেন এবং নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।
কার্নিভালে কয়েক হাজার ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও তরুণ শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেন-জি কার্নিভালের সমাপ্তি ঘটে।

